News Details

“হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভ্যাল, সিজন-৬” এর চ্যাম্পিয়ন নওয়াব অব ওল্ড ঢাকা।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫) শ্যামলী ক্লাব ক্রিকেট মাঠে অনুষ্ঠিত খেলার মধ্য দিয়ে জমকালো এই টুর্নামেন্ট এর পর্দা নামলো। বাংলাদেশ এ টেপ টেনিস টুনামেন্ট এর ইতিহাস “হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভ্যাল” হলো এক অন্যান্য দৃষ্টান্ত।

গ্রান্ড ফাইনালে এ নওয়াব অব ওল্ড ঢাকা ৮ উইকেটে মিরপুর কিংসকে পরাজিত করে প্রথম বারের মত শিরোপা অর্জন করেন জমকালো এই আয়োজনের। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মিরপুর কিংস ২০ ওভারে ২৫২ রান সংগ্রহ করে, জবাবে নওয়াব অফ ওল্ড ঢাকা ১৭.৩ ওভারে লক্ষ্য মাত্রায় পৌঁছে যায়।

ফাইনাল এর ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয় নওয়াব অব ওল্ড ঢাকার আর এন সুমন, ৪৭ বলে ১৩৬ রান করে দলের জয়ে বিশাল ভুমিকা রাখে।

টুনামেন্ট এর ম্যান অফ দ্যা টুনামেন্ট এবং সেরা ব্যাটসম্যান হবার গৌরব অর্জন করেন নবাব অফ ওল্ড ঢাকার জামিল খন্দকার।

সেরা বোলার হবার গৌরব অর্জন করে চট্রগ্রাম উইজার্ড এর সুমন সাহা এবং

সেরা ফিল্ডার হবার গৌরব অর্জন করে চট্রগ্রাম উইজার্ড এর উইকেট কিপার ইমরান হোসেন।

এছাড়া টুনামেন্ট এর ফেয়ার প্লে ট্রফি পাবার গৌরব অর্জন করে রানার আপ দল মিরপুর কিংস।

এবারের চ্যাম্পিয়ন দল নওয়াব অব ওল্ড ঢাকা আকর্ষণীয় ট্রফি ছাড়াও পেয়েছে ৫ লক্ষ টাকা এবং রানারআপ দল মিরপুর কিংস পেয়েছে ২ লক্ষ টাকা ও রানার আপ ট্রফি। এছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রতি দলের জন্য ছিল সম্মাননা পুরস্কার।

পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় মো: সানোয়ার হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ওয়াং শিয়াংশিং,  মা ও শিশু জেনারেল হসপিটাল এর পরিচালক মো: নুর নবী চৌধুরী রাজু এবং গ্রুপ এডমিন মো: নাজমুল হোসেন ভূইয়া।

এর আগে ৩ জানুয়ারী ২০২৫, ১৫টি দল ৩টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল জমকালো এই আয়োজনের।

টুনামেন্ট এর আয়োজকদের মতে, “হায়ার কিংবদন্তী ক্রিকেট কার্নিভ্যাল, সিজন-৬” হচ্ছে বাংলাদেশের টেপ টেনিস টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বাধিক আকর্ষণীয় এবং চ্যাম্পিয়ন প্রাইজ মানির আয়োজন।

২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর যাত্রা শুরু করা এই অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে ৫২ হাজার সদস্যের একটি বৃহৎ পরিবার। এই অনলাইন গ্রুপ এর মানবিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতেই “আমরাই কিংবদন্তী ফাউন্ডেশন” ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যৌথ মূলধনী কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয়।

এই গ্রুপটি এর আগেও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছিল; তারমধ্যে অন্যতম হচ্ছে দেশ জুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা, প্রতিবন্ধী শিশুদের সহায়তা কার্যক্রম, ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ ও খাবার বিতরণ, বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ এবং রক্তদান কর্মসূচীসহ বিবিধ কার্যক্রম।  

একটি অনলাইন ভিত্তিক গ্রুপ হয়েও বন্ধুরা শুধু অনলাইনেই সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের, সমাজের বিভিন্ন কাজে এগিয়ে এসেছে বন্ধুদের গ্রুপটি। এর সাথে যুক্ত হয়েছে সমাজের কিছু সচেতন সু-নাগরিক, যারা এই গ্রুপটি কে প্রতিনিয়ত ভালো কাজে উৎসাহ দিচ্ছে।

ধারাবাহিক ভাবে গ্রুপের পিছিয়ে পড়া সদস্যসহ দেশের প্রতিটি অঞ্চলের অসহায় মানুষদের পাশে চিকিৎসা সেবা সহ সকল মৌলিক সেবা পৌঁছে দিতে পরিকল্পনা করছে এই গ্রুপের সদস্যরা ।